ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা

পায়ে পায়ে পাঁচে পড়ল ইচ্ছামতী।

তোমাদের সবার প্রিয়, সবার আদরের ইচ্ছামতী। হেসে-খেলে-হেঁটে-ছুটে-গল্প করে-ছবি এঁকে কেটে গেল পাঁচটা বছর। ভাবতে অবাক লাগে বইকি!

সেই-ই ২০০৮ সালের কোন এক শিউলিঝরা ভোরে...নাকি ঘুড়ি ওড়া দুপুরে...নাকি তারা টুপ-টুপ সন্ধ্যায়, শুরু করেছিলাম ইচ্ছামতীকে সাজিয়ে তোলা। সাথে ছিল কল্লোল। আমাদের বন্ধু মৌপিয়া আর শঙ্খ লিখে দিল 'আনমনে' আর 'মনের মানুষ' বিভাগের জন্য। লিখে, এঁকে, ওয়েবসাইট তৈরি করে সাজিয়ে ফেললাম ইচ্ছামতীকে। মাত্র সাত-আট পাতার এক পুঁচকে ওয়েব ম্যাগাজিন, শুধুমাত্র ছোটদের জন্য, বাংলা ভাষায়।


সেই শুরু। তারপরে একটু একটু করে বেড়েছে ইচ্ছামতী। দেশ-বিদেশে থেকে ইচ্ছামতীকে সাজিয়ে তোলার জন্য নিয়মিত ভাবে নিত্যনতুন রসদের যোগান দিয়েছেন আমাদের প্রিয় সব লেখক বন্ধুরা। ইচ্ছামতীর ছোট ছোট বন্ধুরা সব ছবি এঁকে , গল্প লিখে, ছড়া লিখে পাঠিয়েছে। যোগ হয়েছে নতুন নতুন বিভাগ। দীর্ঘ হতে থেকেছে ইচ্ছামতীর সূচীপত্র।


সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে ইচ্ছামতীর পাঠক বন্ধুর সংখ্যাও। বিভিন্ন সময়ে ইচ্ছামতী সম্পর্কে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন- উৎসাহ দিয়েছেন, আবার প্রয়োজনে ভুল ত্রুটিও ধরে দিয়েছেন।

আজ, ইচ্ছামতীর পাঁচ বছরের জন্মদিনে, সব্বাইকে - ইচ্ছামতীর সব লেখক, পাঠক, শুভানুধ্যায়ী...আর সমস্ত ছোট্ট বন্ধুদের জানাই অনেক, অনেক শুভেচ্ছা , ভালবাসা আর অভিনন্দন। তোমরা সাথে আছ, তাই তো আছে ইচ্ছামতী।

সবাই ভাল থেক।

চাঁদের বুড়ি

২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩
১০ই আশ্বিন, ১৪২০


...আর হ্যাঁ, বলে রাখি, পাঁচ বছরের হয়ে গেছে বলে ইচ্ছামতী জন্মদিনের উপহারের এক লম্বা লিস্টি তৈরি করেছে। সেই সব আবদার তো এক দিনে মেটানো সম্ভব নয়, বুঝতেই পারছ। তাই আগামি অন্তত ছয়-মাস ধরে ইচ্ছামতীর পাঁচ বছরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাকে দেওয়া হবে নানারকমের উপহার। সেই উপহারের ভাগ পাবে তোমরাও- তার পাঠক বন্ধুরা। তাই আগামি দিন গুলিতে, নিয়মিত চোখ রেখ ইচ্ছামতীর পাতায়!

নয় পেরিয়ে দশে পা

undefined

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা