ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা

আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। আকাশে যদিও মাঝেমধ্যে দেখা দিচ্ছে বৃষ্টি ভরা ধূসর মেঘের দল, কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই আকাশ কিন্তু ঝকঝকে নীল। তাতে ভাসছে পেঁজা তুলো মেঘের দল; সোনা সোনা রোদে ভেসে যাচ্ছে চারিদিক। মা দুর্গার নৌকা সাজানো প্রায় শেষ। এবার পাঁচ দিনের জন্য বাপের বাড়ির পথে যাত্রা শুরু করলেই হয়। লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক, সিংহ, প্যাঁচা, রাজহাঁস, ইঁদুর, ময়ূর, সব্বাই তৈরি হয়ে নিয়েছে। এমনকি অসুরও সবুজ রঙের গা ঘষে মেজে স্নান করে একেবার প্রস্তুত। মা দুর্গা নিজে পাঁচদিনের জন্য বাপের বাড়ি আসার আগে মিলিয়ে নিচ্ছেন শেষ মূহুর্তের তালিকা - কোথায় কোথায় খরা হয়েছে, সেখানে বৃষ্টি দিতে হবে, কোথায় বা বৃষ্টি বেশি হয়ে গেছে, সেখানে যেন প্লাবন না হয়; যেখানে গাছপালা কম, সেখানে আরো গাছ চাই। নিরন্ন মানুষের মুখে অন্ন চাই; যাদের মাথার ওপর ছাদ নেই, তাদের জন্য ঘর চাই। যারা পড়ার বই পায় না, তাদের সবার জন্য বই চাই। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন চাই। সারা বছর ধরে আমাদের সবার মা- দুর্গার কাছে কতই না আবদার, কতই না চাহিদা, কি বল?

তোমার পুজোয় নতুন জামা , নতুন জুতো হল; আমাদের ইচ্ছামতীরও তো পুজোর সময়ে একটু নতুন জামা পড়তে ইচ্ছা করে, ঠিক কিনা বল? তাই পুজোর আগেভাগে ইচ্ছামতী নতুন করে আরেকবার সেজে উঠল। এবছর ইচ্ছামতীতে যোগ হল বেশ কয়েকটি নতুন বিভাগ। সেগুলি কি কি, জানতে হলে এখন কয়েকদিন নিয়মিত চোখ রাখতে হবে ইচ্ছামতীর পাতায়।

আজ থেকে আগামি দুই সপ্তাহ জুড়ে ইচ্ছামতীর পাতায় রোজ প্রকাশ হবে কিছু "পুজোস্পেশ্যাল" লেখালিখি - তোমার জন্য ইচ্ছামতীর তরফ থেকে পুজোর উপহার। থাকছে সুন্দর কয়েকটি ছড়া, নানা স্বাদের অনেকগুলি গল্প, একটা পুরো নাটক, ছবিতে রূপকথা; বিভিন্ন নিয়মিত বিভাগগুলিতেও থাকছে নানাধরণের তথ্যপূর্ণ লেখা। এই পুজোস্পেশ্যাল উপহারগুলোর খোঁজে নিয়মিত চোখ রাখো ইচ্ছামতীর পাতায়।

অবশ্য তুমি যদি এক বা দুইদিন ইচ্ছামতীর কাছে আসতে সময় না পাও, তাহলেও অসুবিধা নেই। প্রতি সপ্তাহের শেষে ইচ্ছামতী নতুন প্রকাশিত লেখাগুলির খোঁজ পৌঁছে দিতে পারে সোজা তোমার ইনবক্সে। কেমন করে? আমাদের নিউজলেটার রেজিস্ট্রেশন পাতায় গিয়ে শুধু নিজের ইমেল আই-ডি রেজিস্টার করে দাও আমাদের কাছে। ব্যস্‌ , প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন গল্প,ছড়া বা তথ্যমূলক নানান লেখার খোঁজ পৌঁছে যাবে তোমার কাছে।

ইচ্ছামতী অনেকদিনই হয়ে উঠেছে একটি পরিপূর্ণ রেস্‌পন্‌সিভ ওয়েবসাইট; অর্থাৎ, ডেস্কটপ, ট্যাবলেট বা মোবাইল, যেকোন ধরণের ডিভাইসেই তুমি স্বচ্ছন্দ্যে পড়তে পার ইচ্ছামতী - তোমার ডিভাইসের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে নেবে ইচ্ছামতী। বলা যেতে পারে, সত্যি সত্যি তোমার হাতের মুঠোতেই সবসময় হাজির তোমার এই প্রিয় বন্ধু। তাহলে দেখ, আমি যে বলি- তোমার সাথে ঠাকুর দেখতে যাবে ইচ্ছামতী, সেটা ঠিকই বলি, তাই না?

আনন্দময়ীর আগমনের সাথে সাথে তোমার ও তোমার সমস্ত ভালবাসার মানুষদের জীবন ভরে উঠুক আনন্দে। সবাইকে নিয়ে খুব ভাল থেক।

undefined

আরও পড়তে পারো...

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা