ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা

আলাস্কা ফেরার পথে কানাডার পশ্চিমতম প্রান্ত দিয়ে চলেছি তখন। এই রাজ্যটিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় তটরেখা এবং রকি মাউন্টেনের এক অদ্ভূত সন্নিবেশ। কানাডার এই রাজ্যটির নাম ব্রিটিশ কলম্বিয়া। এর রাজধানী ভিক্টোরিয়া। আমেরিকা থেকে কানাডায় প্রবেশ করার আগেই যথারীতি নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পেরুতে হল কানাডার ভিসা দেখিয়ে। জাহাজ থেকে অবতরণ হল রোদ ঝলমলে এক দুপুরে। ভিক্টোরিয়া নাম বন্দরের। এই স্থানটি একসময় ব্রিটিশ কলোনি ছিল বলে রাণী ভিক্টোরিয়ার নামে শহরের নামকরণ ঐরূপ।

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
ওয়েস্টার্ন গাল

মানুষজনের আতিথেয়তার ত্রুটি নেই। ট্যুর গাইড এর আদেশে এবার বাসে উঠে পড়া। বন্দরে নেমেই দেখি সমুদ্রের ধারে, মাঠেঘাটে বাড়ির ছাদে, কার্ণিশে অগণিত পায়রার মত সাদাকালো এক অপূর্ব পাখী।

কী এর নাম? সিগাল ?

হ্যাঁ, আমরা যাকে ছোট থেকে যে ওয়াটার বার্ড কে সিগাল বলে জেনে এসেছি এখানে বলে ওয়েষ্টার্ণ গাল। কিন্তু তাই বলে এগুলি তো জাইগ্যান্টিক! আকারে, রং এ সব দিক থেকেই রাজকীয়।

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
সী-প্লেন

আমার পুত্র অমনি বলে, ঐ দেখ সমুদ্রের বুকে কেমন সি-প্লেন ওঠানামা করছে। সত্যি তো! পরে জানলাম এই বন্দরটি কানাডার অন্যতম সি-প্লেন বন্দর ও বটে। আকাশের উড়োজাহাজের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অগণিত জলজাহাজ। কেউ যাচ্ছে ফেরত, কেউ বা সবে এসে নোঙর করল সে বন্দরে। অমনি মনে হল তবে কি এটি ট্যুরিষ্ট গন্তব্যস্থল নয়? সকলেই তো থামছে আবার রওনা দিচ্ছে।

পরক্ষণেই মনে হল, আলাস্কা থেকে ফেরার পথে জাহাজে থেকে নেমে আমরাই তো সেদিনের ট্যুরিষ্ট ভিক্টোরিয়ার। আলাস্কা ট্রিপের সঙ্গে যেন উপরি পাওনা এটুকু।নতুন আরেকটি দেশ দেখার আনন্দে মন কানায় কানায় তখন।

ইউরোপিয়ান বসতির আগে উত্তর পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের এই কূল জুড়ে ছিল স্যালিশ নামক এক উপজাতিদের বাস। আলাস্কার এস্কিমোদের সঙ্গে ছিল এদের প্রতিনিয়ত ওঠাবসা। এখন কোথায় এস্কিমো আর কোথায় তাদের বসতি? সব জনগোষ্ঠী মিলেমিশে একাকার এই অঞ্চল জুড়ে। আর এই ভিক্টোরিয়া বন্দর কে ঘিরেই তাদের উপজীবিকা।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
ভিক্টোরিয়া বন্দর

বন্দরে দাঁড়িয়েই সাদর অভ্যর্থণার ইঙ্গিত পেলাম। সর্বত্র হাসিমুখ, অতিথি দেব ভব!

এবার কেউ বাসে, কেউ ঘোড়ায়, কেউ আবার লিমোজিন এ চড়ে ভিক্টোরিয়া হাইলাইটস দেখতে যাওয়া । মে মাসের শেষের দিকে কোনোও একটা দিন। কিন্তু এদের এখানে যেন মেঘ রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা চলে অহোরাত্র। আমরা বাসে উঠে পড়ি। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি মাথায় বাস চলতে শুরু করল ব্রেক ওয়াটারের ধার দিয়ে। ব্রেক ওয়াটার হল সামুদ্রিক তটরেখা থেকে স্থলভাগকে পৃথক করার পাঁচিল। সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস যাতে আছড়ে পড়ে বন্দরকে নষ্ট না করে দেয় তাই এই ব্যবস্থা। কেউ বলে সি ওয়াল, কেউ বলে পিয়ার। সপ্রতিভ বাস চালক সেদিনের গাইড আমাদের। সে জানাল, অগডেন পয়েন্টে এর কথা। অগডেন পয়েন্ট হল একটি গভীর জলের বন্দর যা চারটি পিয়ারের মধ্য দিয়ে বড় বড় জাহাজকে ন্যাভিগেট করতে সক্ষম। ভিক্টোরিয়া পোর্টটি বর্তমানে কানাডার সবচেয়ে ব্যস্ততম বন্দর।

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
চায়না টাউন

এরপর গাইড তথা বাস চালকের ধারাভাষ্যে কান রেখে চলেছি আর দুচোখ জুড়ে দেখছি ভিক্টোরিয়া শহরের ছিমছাম সৌন্দর্য্য।  কি অপূর্ব টাউন প্ল্যানিং। কিভাবে এরা সংরক্ষণ করে চলেছে পাবলিক লাইব্রেরী, সেন্ট এন্ড্রুজ ক্যাথিড্রাল, কানাডার প্রাচীনতম সিনাগগ। চায়না টাউন এখানেও? চাইনিজ পাবলিক স্কুল ও রয়েছে তাই। রাস্তার দুপাশে সামনের দিকে মুখ করে দুই চাইনিজ লায়ন । এরা হল ওদের ধর্মের রক্ষক। চীনে ওরা সিংহ কে ' শী /Shi বলে। ভারতের 'সিংহ'  থেকে কথাটি এসেছে ওদের মধ্যে। কানাডার প্রাচীনতম চায়না টাউন এটি। এখানকার অভিবাসীদের চাইনিজ-কেনেডিয়ান বলে অভিহিত করা হয়। এই অঞ্চলে সোনা পাওয়া গেছিল বলেই বুঝি একদা চীন থেকে ছুটে এসে  এরা ব্রিটিশ কলোম্বিয়ায় এসে বাস শুরু করে।  অচিরেই ভিক্টোরিয়ার এই অঞ্চল চাইনিজ কলোনিতে পরিণত হয়।   

তারপর আমাদের সঙ্গে চলতে লাগল ভিক্টোরিয়ার হেরিটেজ সব বিল্ডিং, বহুতল কমপ্লেক্স। এবার এল ট্রান্স কানাডিয়ান হাইওয়ে। কানাডার অন্যতম খেলোয়াড়, ক্যানসার রিসার্চার টেরেন্স স্ট্যানলি যিনি টেরি ফক্স নামে খ্যাত। একটি পা বাদ যাবার পরেও ইনি ক্যান্সার রিসার্চের জন্য ফান্ড তোলার স্বার্থে  ইষ্ট-ওয়েষ্ট ক্রস কানাডা ছুটেছিলেন এই পথ দিয়ে এক পায়ে। ভিক্টোরিয়া তে তাঁর স্ট্যাচুও রাখা আছে। এখানে সকলেই তাঁকে মনে রাখে।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
রডোডেন্ডড্রন গাছ

নেমে পড়লাম একটি দৃষ্টিনন্দন স্থানীয় পার্কে। রডোডেনড্রন ফুলের সমাহার যত্রতত্র। আমাদের দেশের হিমালয়ের পাহাড়ে ফুটতে দেখেছি এই ফুল।  আর এখানে সমতলে এত পর্যাপ্ত? তাও আবার মে  মাসের গরমে ? আর বিরল সব রঙ এখানে এই ফুলের। আসলে এত মনোরম জলবায়ু ভিক্টোরিয়ার তাই এদের যত্ন আত্তির দরকার নেই বুঝি। গৃহস্থরা তাদের বাড়ির লাগোয়া বাগানেও দিব্যি ফুটিয়েছেন এই ফুল। কত নতুন প্রজাতির রডোডেনড্রন দেখতে পাওয়া গেল। নর্থ আমেরিকায় রডোডেনড্রন সোসাইটি আছে।

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
চিড়িয়াখানা

ফুল গাছ ছাড়াও রয়েছে সবুজ পাম, পাইন, সাইডার এর সারি। লাগোয়া চিড়িয়াখানাও রয়েছে পার্কে। এর নাম কুইন এলিজাবেথ পার্ক।  আর রয়েছে প্রচুর ওক গাছ। গ্যরি ওক গাছের সম্বন্ধেও বেশ সম্যক জ্ঞান হল। এই ওক গাছের গুঁড়ি নাকি ফায়ার রেসিস্ট্যান্ট। ওরে বাবা! এমন শুনিনি কোনোদিন যে কাঠে আগুণ লাগেনা। বিস্ময়ে হতবাক হ‌ই।  তাই এই গ্যারি ওক গাছকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য পাশেই রয়েছে গ্যারি ওক রেস্টোরেশান প্রজেক্ট।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
ওক গাছ

থরে থরে সাজানো গ্যারি ওক গাছের বনভূমিই যেন ভিক্টোরিয়া কে আরো সুন্দর করে তুলেছে। সেই সঙ্গে সবুজ সাভানা তৃণভূমিও এই ওক  প্রান্তরের ভূষণ। অনেক শৃঙ্খলিত এই ওক গাছের বন না থাকলে বুঝি সমগ্র ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় সব উদ্ভিদের প্রজাতিদের নিয়ে এক অদ্ভুত ইকোসিস্টেম তৈরী হত না । আর তাই বুঝি কানাডার অন্য রাজ্যগুলির থেকে আলাদা এই ভিক্টোরিয়া।

কত বিরল প্রজাতির পাখী এবং পতঙ্গের শূককীট, মূককীট এর আখড়া এই গ্যারি ওক গাছ। তারা দিব্যি বেঁচে বর্তে থাকে এই গাছ কে আশ্রয় করে।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
আরোও ওক গাছ

আবারো বাসে উঠে পড়ি। ভিক্টোরিয়ার এই অঞ্চলটিতে রাস্তার দুপাশে যত্রতত্র সুউচ্চ, সুদৃশ্য  টোটেমপোলের ছড়াছড়ি। এবার আসি এই টোটেম পোল প্রসঙ্গে।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
টোটেম পোল

আলাস্কার কেচিকান শহরে এ এই টোটেম পোল দেখেছিলাম। অদ্ভূত এক ঐতিহ্য আছে এই কাঠের খুঁটির যার নাম টোটেম।  সেডার বা দারুবৃক্ষের গুঁড়ি দিয়েই ঐ অঞ্চলের ট্লিংগিট আর হাইদা উপজাতিরা বানাতো এই টোটেম পোল। অসামান্য সেই টোটেম পোলের কাঠ স্থাপত্য। কত অজানা গল্প শোনায় সেই স্থাপত্য। রং এর ছোঁয়ায় যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে মানুষের মুখ, পশুপাখীর অবয়ব। ঠিক যেন আমাদের পটশিল্প।  প্রত্যেক খুঁটিতে একটি করে গল্প থাকে। সব মিলিয়ে অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এই কাঠের কাজগুলি।  

দীর্ঘতম এমন একটি টোটেম পোল দেখা গেল ভিক্টোরিয়ার পার্কের কোণে।  সে পার্কে ময়ূর, হরিণ ও চরছে  আপন মনে ।  

প্রশান্ত মহাসাগরের গা ঘেঁষে চলছিল বাস। লাক্সারী মার্কেট রয়েছে। হঠাত দেখি আকাশে রঙীন ঘুড়ি।এখানে সমুদ্রের তর্জন গর্জন নেই। বড়োই শান্ত সে। পথে পড়ল রোজবে সেমেটারি। ভিক্টোরিয়া শহরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাদের সমাধি সেখানে। এরপরেই চোখে পড়ল অসাধারণ সুন্দর সব অট্টালিকা। পাহাড়ের মাথায় বাড়িগুলি আরো সুন্দর লাগে দূর থেকে। মনে হল এক টুকরো স্বর্গে পৌঁচেছি। তাকিয়ে দেখি সাগরের মধ্যিখানে এক আইল্যান্ডে গার্ডেন চেয়ার পেতে মানুষজন বসে গল্পসল্প করছে। মুখোমুখি চেয়ার পেতে বসেছে তারা। অবসর বিনোদনে সাক্ষী নীরব সমুদ্র।  চোখ জুড়োনো ছবি। নীল জলের মাঝে আরো আরো সবুজ দ্বীপ। দূরে আকাশের নীল সামিয়ানা। গাইড বলে ওঠেন, এখানকার প্রাচীনতম গলফ ক্লাবের কথা, ক্যাফে, থিয়েটার হল, হোটেল, স্কুল দেখায় ডেকে ডেকে। আমি চেয়ে থাকি সমুদ্রের দুধ সাদা বালির চরে।  পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য কোনো ঝিনুক। সেই আশায়।  সমুদ্রের মধ্যে ক্যানো চালায় কেউ।  

ঐ দেখুন্, এই অঞ্চল কে বলে, ক্যাটল পয়েন্ট বোট র‍্যাম্প।

সে আবার কি? ট্যাক্স বাঁচানোর জন্য গবাদিপশুদের জাহাজ থেকে নামানো হত এক জেটি দিয়ে। এখানে নেমে সমুদ্রে পা ডোবানো যায় বুঝি।

টোলেমী পাড়ড়ক

এরপরেই ইউনিভার্সিটি অফ ভিক্টোরিয়া...আশ্চর্য! অমন ইউনিভার্সিটি পাড়া আমেরিকাতে একটিও দেখিনি। সম্পূর্ণ আলাদা যেন।  ক্রশ করতেই মাউন্ট টলমি পার্ক এল। এখান থেকে ভিক্টোরিয়ার ভিউ দেখা যায় খুব সুন্দর। এসে পড়ি ভিক্টোরিয়ার পুরণো টাউন স্কোয়ারে। হসপিটাল চোখে পড়তেই গাইড বললেন, আমাদের সকলের পরিচিত লিস্টারিন মাউথ ওয়াশের জনক ডাঃ লিস্টারিনের কথা।

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
ভিক্টোরিয়ার লেজিস্লেটিভ অ্যাসেম্বলি, দেখতে আমাদের চেনা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের মত

মাত্র চারলাখ লোকের বাস ভিক্টোরিয়ায়। তাই বুঝি এত ছবির মত সুন্দর। সবকিছু যেন বড্ড সাজানো গোছানো। যে শহরের জন্মলগ্নে সিটি প্ল্যানার রা প্রতিটি রাস্তা তৈরী করেছিলেন এক একটি ফুল ফোটার সিজনে।  সেই ফুলগাছ গুলি দিয়ে এখনো রাস্তা সাজানো। আর প্রকৃতির নিয়ম মত ঋতু অনুযায়ী বৈচিত্রময় ফুল ফুটে কুসুমাকীর্ণ হয় সেই সরণী।   এরপরেই চোখ পড়ল এদের লেজিসলেটিভ এসেমব্লিতে। ঠিক যেন আমাদের ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের গড়ন। রং টা ম্যালাকাইট সবুজ। আমাদের ভিক্টোরিয়ার মাথায় পরী ঘোরে এখানে গোল্ড প্লেটেড ব্রোন্জ স্ট্যাচুটি ব্রিটিশ অফিসার জর্জ ভ্যাঙ্কুভারের। যার নামে কানাডার আইল্যন্ড ভ্যাঙ্কুভারের নামকরণ হয়।

এবারে শোনা গেল এক মজার গল্প। মিথ বলো অথবা সত্যি সে যাচাই করবে কে? ঘটনাটি বহু পুরণো।  

ক্যাডবোরোসরাসের নাম শুনেছ তোমরা? আমার তো প্রথমে নাম শুনেই মনে হয়েছিল যে ডাইনোসরাস ক্যাডবেরী খায় তাকেই বুঝি ঐ নামে ডাকা হয়। কিন্তু ধুর্‌! ডাইনোসরেরা যখন ছিল তখন কি ক্যাডবেরীর জন্ম হয়েছে নাকি যে তারা তার স্বাদে ভাগ বসাবে?  ভাবতে ভাবতেই আমাদের গাইড বললেন কেউ বলে এরা সত্যি ছিল, কালের স্রোতে বিলুপ্ত। কেউ বলে ড্রাগন, মারমেইড এদের মত মানুষের কল্পিত এক জীব।  

ভিক্টোরিয়ার পথে পথে
সমুদ্রের পাশে গ্রাম

উত্তর আমেরিকার প্যাসিফিক কোষ্টে অবস্থিত ক্যাডবোরো বে ভিলেজে এখনো এই জীবটির গল্প মানুষের মুখে মুখে ফেরে। ঐ গ্রামে এই আজব জীবের আদুরে নাম ক্যাডি। এই গ্রামে এখন অগণিত পাব, রেস্তোঁরা, কফির ঠেক কিন্তু সবকিছুর মধ্যেও এই সমুদ্র সর্প টি বেঁচে আছে আজো। কেউ বলে এই প্রাণীটি নাকি বহু যুগ আগে মাঝ সমুদ্রে দেখা যেত। মাথাটা উটের মত আর লম্বায় ত্রিশ থেকে ষাট ফুটের কাছাকাছি হত। জাতে সরীসৃপ তবে জলেই বাস ছিল আর মাঝেমাঝেই মাথা তুলে নিঃশ্বাস নিতে দেখা যেতে তাকে।  মাছেদের মত সামনে আর পেছনে দুটি করে পাখনাও নাকি ছিল এদের তবে তারা তিমির মত স্তন্যপায়ী জীব। বর্তমানে বিলুপ্ত। 

গল্প শুনতে শুনতে এবার ফিরে যাবার পালা। তাঁর আগে সামান্য কিছু কেনাকাটি পর্ব। মাথায় তখনো ঘুরপাক খেতে লাগল বিলুপ্ত ক্যাডবোরোসরাস, রাস্তার দিকে মুখ করে থাকা চাইনিজ লায়ন আর রডোডেন্ড্রণ চিন্তারা।

ছবিঃলেখক

undefined

এবারে নতুন কী কী?

আরও পড়তে পারো...

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা