ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা
গুপ্তধন খোঁজার প্রতিযোগিতা

"এই বিহু, ক্লাবহাউসের বাইরে লাগানো পোস্টারটা দেখেছিস?" বিহান এসে তার যমজ বোন বিহুকে জিজ্ঞেস করল।
"না দেখা হয়নি। কী লিখেছে? তাড়াতাড়ি বল। বাবা বাজার থেকে ফিরে এলেন বলে, তখন আবার পড়তে বসতে হবে!"
"নতুনপল্লী ক্লাবের বার্ষিক উৎসবে অনেক কিছু প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ওরা। কাগজ বিলি করছিল আমি একটা নিয়ে এলাম। এই নে পড়ে দেখ।"
বিহু হলুদ কাগজটা হাতে নিয়ে পড়ে দেখল। "নতুনপল্লী ক্লাবের পঁচিশ বছর পূর্তি উৎসবে ক্লাব থেকে অনেকগুলো প্রতিযোগিতা করা হচ্ছে। তার মধ্যে বসে আঁকো, আবৃত্তি, রঙ্গোলী ওই সবের সঙ্গে রয়েছে গুপ্তধন সন্ধানের মজার খেলা! প্রতি্যগিতা শুরু হবে রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ নতুনপল্লী ক্লাবের ক্লাবঘরে আর শেষ হবে গুপ্তধন পেয়ে গেলে। আত থেকে পনেরো বছর বয়সের যে কেউ অংশগ্রহন করতে পারে। সারা পাড়া জুড়ে ক্লু আর ধাঁধা দিয়ে গুপ্তধন প্রাপ্তির নির্দেশ সাজিয়ে রাখা হবে। দুজন দুজনের দল করে খেলাতে যোগ দিতে হবে। প্রতি দলে যেন বারো বছরের বেশি বয়সের একজন থাকে। গুপ্তধন সন্ধানের এই খেলা তৈরি করতে আমাদের সাহায্য করেছেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও রহস্য রোমাঞ্চ ঔপন্যাসিক শ্রী শৈবাল কর। পুরস্কার স্বরূপ গুপ্তধন ছাড়াও শ্রী শৈবাল কর বিজয়ী দলের হাতে তুলে দেবেন অটোগ্রাফ করা তাঁর সদ্য প্রকাশিত বই ‘ডাক্তার হাজরার হাউস অফ হররস’। গুপ্তধনের জায়গায় পৌঁছতে পারা প্রথম তিনিটি দলকে পুরস্কৃত করা হবে।" এর পর অন্যান্য সব প্রযোগিতার বিবরণ।
"কিরে পড়লি? যাবি তো?" বিহান জিজ্ঞেস করল।
"হ্যাঁ, যাবো তো, কিন্তু ভূতো আর কিংশুকও আসবে নিশ্চয়ই তখন কী হবে?"
"কী আবার হবে? আসুক না হিংসুকরাতাদের দলবল নিয়ে!ওদের যদি বুদ্ধি থাকে তো গুপ্তধন খুঁজে নিক! সেরা দল যারা পুরস্কার তারাই পাবে!"
কিংশুক আর ভাস্কর ওদের স্কুলেই পড়ে। সাংঘাতিক ঝগড়ুটে আর স্বার্থপর। ক্লাসে কারো সঙ্গে ওদের বনে না।
রবিবার দিন দুটো বাজার কিছুটা আগেই ওরা দুজনে নতুনপল্লী ক্লাবে গিয়ে হাজির হল। তখন ক্লাবের সভাপতি প্রশান্তদা ভাষণ দিচ্ছিলেন। পঁচিশ বছরে ক্লাবে কী কী উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে বা ঘটনা ঘটেছে সেই সব নিয়ে। চারিদিকে প্রচুর লোক। বসে আঁকো প্রতিযোগিতার জন্যে রঙ তুলি ইত্যাদি নিয়ে ঘুরছে বাচ্চারা। মন্টুদা বিহান আর বিহুকে দেখতে পেয়ে বলল, "এই তো বিহান বিহু তোমরা এসে গেছো। গুপ্তধন খুঁজতে এসেছ তো? যাও যাও ভিতরে ক্যারামের ঘরে চলে যাও। ওখানে গুপ্তধন খোঁজার জন্যে নাম লেখানো চলছে।"
তারপর গলা নামিয়ে বলল, "তরুণ সংঘ থেকেও দু’জন এসেছে দেখলাম। কী মতলব কে জানে। ওদের সঙ্গে তো আমাদের বরাবরই খুব রেষারেষি! দেখো আমরা যেন জিততে পারি!"
বিতান আর বিহু ক্যারামের ঘরে গিয়ে নিজেদের নাম লেখাল। গুপ্তধন খোঁজার জন্যে মোট সাতটা দল হয়েছে। এই গরমের দিনে কেউ আর বাইরে ছোটাছুটি করতে চায় না মনে হয়। বেশির ভাগই তাই বসে আঁকো, আবৃত্তি এই সব প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছে। ওইগুলোতে বেজায় ভিড়!
সাতটা টিমের চোদ্দজনকে একটা ঘরে জড়ো হতে বলা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে বিতান আর বিহু দেখল ভূতো আর কিংশুকও ঠিক এসেছে। ভূতোর দাদা তরুণ সংঘের উপসভাপতি তাই ভূতোর এখানে আসাটা চোখে পড়ার মতন ব্যাপারই বটে। বিতান আর বিহু অবশ্য জানে যে পুরস্কার পাওয়ার চান্স থাকলেই ভূতো আর কিংশুক কখনও ছাড়ে না। প্রাইজের আশায় স্কুলের সব প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়ে বোকা হয় কিন্তু তাও ওদের লোভ যায় না!
ঠিক দুটোর সময় প্রশান্তদা এলেন ওদের ঘরটায়। ওনার হাতে বেশ কিছু কাগজ। ওদের সবাইকে দেখে এক গাল হেসে বললেন, "বাহ, বাহ, এই তো সাতটা দল হয়েছে দেখছি। বেশ বেশ! তা শোনো, আমি তোমাদের সবাইকে একটা করে কাগজ দেবো। সেটাতে প্রথম নির্দেশটা দেওয়া আছে। সেই নির্দেশ মেনে চললে তোমরা দ্বিতীয় নির্দেশের জায়গায় পৌঁছে যেতে পারবে, কেমন? এমনি করে কয়েক ধাপ ধাঁধা, ক্লু সবের মানে বার করতে পারলেই তোমরা গুপ্তধনের সন্ধান পেয়ে যাবে। প্রথম নির্দেশটা আমি দিচ্ছি কিন্তু এর পরেরগুলো যেখানে রাখা আছে সেখানে কোন লোক থাকবে না। আমরা আশা করব যে তোমরা সবাই সৎ ভাবে ট্রু স্পোর্টসম্যানের মতন করে খেলাটা খেলবে। আশাকরি ফেয়ারপ্লের জন্যে কাউকে বলে দিতে হবে না। শৈবালদা একটু পরেই এসে পড়বেন। উনি নিজের হাতে বিজেতাদের পুরস্কার দেবেন। সব ধাঁধা, ক্লু ইত্যাদি ওনারই তৈরি। আমাদের এই খেলাটা গড়ে দেওয়ার জন্যে আমরা ওনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ। এই নাও এই হল তোমাদের প্রথম ক্লু!এর থেকে তোমরা পরবর্তি ধাপের নির্দেশ পেয়ে যাবে। গুড লাক!"বলে প্রশান্তদা সবার হাতে একটা করে কাগজ ধরিয়ে দিলেন। বিতান আর বিহু তাকিয়ে দেখল যে কাগজটায় শ্রী শৈবাল করের লেখা কয়েকটা বইয়ের নাম রয়েছে।
কালো গ্রহের বাসিন্দা
জল মাটি আকাশ
লবঙ্গপুরের লক্ষ্মণ
দিনের শেষে
ঘিলু কি তোর একটুও নেই
রঙ নিয়ে খেলা
ধানসিঁড়ির ওপারে
রেলগাড়ির ধোঁয়া
পুলিশ এসেছিল বলে
বক, সারস ও কোকিল
দিঘির কালো জলে
কেউ বুঝবে না

"চল চল, এটা তো খুব সোজা রে," বলে হুড়মুড় করে সবাই দৌড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল।
বাইরে বেরিয়ে সবার থেকে আলাদা হয়ে বিতান বলল, "প্রতি বইয়ের নামের প্রথম শব্দের প্রথম অক্ষর, তাই তো? তার মানে দাঁড়াল ‘কাজল দিঘির ধারে পুব দিকে’। চল চল ছোট!"
দুজনে ছুটতে ছুটতে হাঁপাতে হাঁপাতেকাজল দিঘির ধারে গিয়ে হাজির হল। কাজল দিঘি আর কিছুই নয় ওদের পাড়ার একটা বড়ো পুকুর।
"পুব দিকটা কোনটা রে?" ওখানে পৌঁছে বিতান জিজ্ঞেস করল।
"ওই তো, ওই দিকটা। ওই দিকে সূর্য ওঠে না?"
"হ্যাঁ, ওই তো পাথরের খাঁজে কী রয়েছে একটা সাদা মতন!"
অনেকগুলো কাগজ থেকে একটা তুলে নিল বিহু। ইংরেজিতে লেখা রয়েছে 10 15 18 1 2 1 12 1
"এ আবার কী রে?"
"ইংরেজির অক্ষর নয় তো ওগুলো?"
"দাঁড়া তার মানে ১০ হল J, ১৫ মানে O, ১৮ মানে R আর ১ মানে A - JORA!"
"জোড়া বটতলা!" বিতান চিৎকার করে উঠল।
"আস্তে বল! অন্য টিম শুনতে পেলে তাদের সুবিধা হয়ে যাবে তো!" বিহু ধমক দিল।
দুজনে আবার দৌড়তে দৌড়তে জোড়া বটতলায় গিয়ে পৌঁছল। সেখানে গিয়ে দেখল সব ভোঁ ভাঁ। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কিছু দেখতে পেল না ওরা দুজন।
"কী ব্যাপার বল তো? ওরা কি এখানে নির্দেশ রাখতে ভুলে গেছে?"
"কী জানি, ওই দেখ পিন্টু আর পায়েল আসছে।"
পিন্টু ওদের দেখে বলল, "কী গো বিতান্তা বিহুদি তোমরা এখনও এখানে?"
"কিছুই তো দেখতে পাচ্ছি না এখানে কিন্তু ক্লুতে তো জোড়া বটতলাই লেখা ছিল, তাই না?"
"ওখানে ওই বাচ্চা মেয়েগুলো খেলছে তাদের জিজ্ঞেস করব?"
"হ্যাঁ, চল। ওটা তো মিঠাই আর ওর বন্ধুরা!"
"এই মিঠাই, আমাদের আগে এখানে কেউ এসেছিল কিনা দেখেছিস?"
মিঠাই ঘাড় নেড়ে বলল, "হ্যাঁ, মোটরবাইকে করে বিল্টুদা ভূতোদা আর আরেকটা দাদাকে নিয়ে এসেছিল। সকালে প্রশান্তকাকুরা যে সব ইঁটগুলো রেখে গিয়েছিল সেগুলো পুকুরর জলে ফেলে দিয়ে পালালো। ওদের দেখে আমরা লুকিয়ে পড়েছিলাম তাই ওরা আমাদের দেখতে পায়নি!"
"অ্যাঁ! তাহলে তো সাবোটেজ! খেলাটাকে নষ্ট করেছে ওরা!"

গুপ্তধন খোঁজার প্রতিযোগিতা

ততক্ষণে আরো দুটো টিম ওখানে এসে হাজির হয়েছে।
"কী রকম ইঁট ছিল রে মিঠাই, জানিস?"
মিঠাইয়ের পাশে দাঁড়িয়ে ওর বন্ধুগুলো এতক্ষণ সব কথা চুপ করে শুনছিল এবার তাদের একজন বলল, "আমি জানি, ওগুলো সাহেব বাড়ির ইঁট। ওই যে ভাঙ্গা সাহেববাড়িটা আছে না সেখানকার!"
ওরা সবাই বলল, "থ্যাঙ্ক ইউ! তোরা সবাই আমাদের কাছে চকোলেট পাবি! দারুণ উপকার করেছিস আমাদের!"
বাকিরাও সবাই ততক্ষণে এসে গেছে সেখানে। সবাই খুব রেগে গিয়ে বলল, "ভূতোরা তো তার মানে সৎ ভাবে খেলছে না! সব ক্লু জলে ফেলে দিয়েছে!"
সবাই মিলে ঠিক করল যে ওরা টম জনসন সাহেবের ভাঙ্গা বাড়িতে যাবে। যদি ওখানে কিছু পাওয়া যায়। ওরা বারোজন মিলে টম সাহেবের বাড়িতে গেল।
সেখানে দেখল আরেক চমক। সাহেব বাড়ির বাগানে ভাঙ্গা ইঁটের গাদার মধ্যে বসে বসে ব্যথায় কাতরাচ্ছে ভূতো আর তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছে কিংশুক!
"কী হয়েছে রে? ও কাঁদছে কেন?"
"ভূতো বাড়ির ভিতরে ঢুকে কী করছিল। আমি বাইরেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ ও চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে এল যে অন্ধকারে হোঁচট খেয়ে ইঁটের গাদায় পড়ে গিয়ে নাকি ওর পা ভেঙ্গে গেছে। এখন পা ফুলে ঢোল!এবার কী হবে?" কিংশুক ভয়ে ভয়ে বলল।
"ঘরের ভিতর তো ঢোকা বারণ! ভিতরে ঢোকা নিষেধ বড়ো বড়ো করে লেখা রয়েছে তো ভিতরে ঢুকেছিলি কেন?"
ভূতো কিছু বলছে না দেখে কিংশুক বলল, "ক্লুগুলো এখানে বাগানে রাখা থাকলে সবাই পেয়ে যাবে তাই ও সেগুলোকে ভিতরে লুকোতে গিয়েছিল যাতে অন্যরা কেউ সেগুলোকে খুঁজে না পায় আর তখনই। অন্যদের ক্লুগুলোসব ভিতরেই পড়ে রয়েছে।"
"আর গুপ্তধন খুঁজে কাজ নেই! চল ক্লাব তো কাছেই। ওখানে গিয়ে খবর দি আমরা তারপর না হয় কেউ এসে গাড়ি করে ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে।"
বিহুর কথা শুনে সবাই ক্লাবের দিকে পা বাড়ালো। শুধু কিংশুক আর ভূতো রয়ে গেল। মন্টুদা ক্লাবের বাইরের অপেক্ষা করছিলেন। ওদের সবাইকে একসঙ্গে আসতে দেখে বললেন, "কী ব্যাপার? কী হয়েছে?"
"ভূতোর পা ভেঙ্গেছে মন্টুদা! ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। ও আর কিংশুক সাহেববাড়ির বাগানেই বসে আছে।"
"সেকি! কী করে হল?"
"সাহেব বাড়ির ভিতরে ঢুকেছিল আবার কি! অন্ধকারে হোঁচট খেয়ে পড়েছে!"
"কিন্তু বাড়ির মধ্যে যাতে ঢুকতে না হয় সেই জন্যে আমরা ক্লুগুলোকে বাগানে রেখেছিলাম। সেগুলো নিয়ে তো পরের ধাপে যাওয়ার কথা!"
"বাড়ির ভিতর কেন ঢুকেছিল সেটা ওকেই জিগ্যেস কোরো!"
ভূতোকে জিগ্যেস করতে সে হাঁউ মাঁউ করে কেঁদে বলেছিল, "অন্যরা সবাই যখন দৌড়ে কাজল দিঘির দিকে যাচ্ছিল তখন আমার দাদা আমাদের মোটরবাইকে করে সেখানে পৌঁছে দিল। তারপর সেখান থেকে জোড়া বটতলাতেও। বটতলায় গিয়ে আমরা সব ক্লু জলে ফেলে দিলাম। আর কেউ পিছু নিতে পারবে না ভেবে দাদা মোটরবাইকে আমাদের সাহেব বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। সেখানে আমি ভিতরে ঢুকে অন্যদের ক্লুগুলো লুকোতে গিয়ে এই দশা হল!"
মন্টুদা সেই সব শুনে রেগে গিয়ে বলেছিলেন, "হিংসুটে, স্বার্থপর, হয়ে অন্যদের ক্ষতি করতে গেলে এই রকমই ফল হয়!"
অন্য কয়েকজন দাদারা মিলে ভূতোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল, পুরস্কার বিতরণের জন্যে লেখক শ্রী শৈবাল কর এসে পড়েছিলেন বলে মন্টুদা গেল না।
গুপ্তধন আর কিছুই নয় রঙিন কাগজে মোড়া কয়েকটা চকোলেট আর টফির বাক্স। ওরা সবাই মিলে বলল, "ওগুলো একটা মিঠাই আর তার বন্ধুদের দিয়ে বাকিগুলো আজকে উপস্থিত বাচ্চাদের দিয়ে দাও।"
তারপর আরেকটু ভেবে বিহু আর পায়েল বলল, "একটা বাক্স ভূতোকেও দিয়ে দিতে পারো। বেচারা পা ভেঙ্গে এখন অনেকদিন বাড়িতে বসে থাকবে!"
কেউ জেতেনি বলে যারা যারা গুপ্তধন খোঁজা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল তারা সবাই শৈবাল করের সই করা একটা করে গল্পের বই পেল। সৎ ভাবে না খেলার জন্যে পেল না শুধু ভূতো আর কিংশুক।

 

ছবিঃ অঙ্কুশ চক্রবর্তী

লেখক পরিচিতি

অনন্যা দাশ

অনন্যা দাশ কর্মসূত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। নেশা বই পড়া আর গল্প লেখা। শিশুদের জন্যে সামাজিক গল্প ও কিশোরদের জন্যে রহস্য গল্প লিখতে ভালবাসেন। বাংলাতে প্রকাশিত অধিকাংশ শিশু কিশোর পত্রিকাতেই লিখেছেন কোন না কোন সময়ে।
নয় পেরিয়ে দশে পা

undefined

আরো পড়তে পার...

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা