সবুজ মনের রসদ
Ichchhamoti Logo

ইচ্ছামতী আঠারো পূর্ণ করল। অনেক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও সমৃদ্ধি কামনা করি।

প্রথমদিকের কথা। চাঁদের বুড়িকে কিছু গ্রাফিক্স দিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করতাম – ইচ্ছামতীর জন্য। বেশ লাগতো করতে, যদিও উনি মূল কাজটা করে রাখতেন, আমি শুধু শেষ পোঁচটা দেওয়ার চেষ্টা করতাম মাত্র। এই সময় আমি একটা ছোটদের ছোটগল্প লিখে ইচ্ছামতীর দপ্তরে পাঠাই। চাঁদের বুড়ি ওটার উপর কাঁচি চালিয়ে, ব্যাকরণ শুদ্ধিকরণ করে প্রকাশ করেছিলেন। বেশ উৎসাহ ও আশ্বাস জাগে মনে। এরপর কয়েকটি লেখা মনোনীত হয়, এখনো ইচ্ছামতীর পাতায় দেখা যায়। বেশ লাগে।

'বেঙ্গল ওয়েব ফেয়ার' নামে একটি 'ই-ম্যাগাজিনের' উৎসব হয়েছিল লবণহ্রদের 'ই. জেড. সি. সি.'-তে। ঠাঁই হয়েছিল ইচ্ছামতীর। বেশ আনন্দ করে উপভোগ করেছিলাম। বহু মানুষ, বিজ্ঞজনের আনাগোনা আমাকে মুগ্ধ করেছিল। মনে আছে এক অবাঙালী ভদ্রলোক প্রস্তাব রেখেছিলেন বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি অনুবাদ থাকলে উনারাও পড়তে পারেন। চাঁদের বুড়ি মনোযোগ দিয়ে তা শুনেছিলেন। তারপরে বাংলা আকাদেমি সভাগৃহে 'ই-ম্যাগাজিন' নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছিল। ইচ্ছামতীর হয়ে চাঁদের বুড়ি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছিলেন। বহু জ্ঞানীগুণী মানুষ বক্তব্য পেশ করেছিলেন। হয়েছে বহু তর্ক-বিতর্ক। অর্জন করেছি অনন্য অভিজ্ঞতা।

কলকাতা বইমেলায় হয়েছে আর এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। ইচ্ছামতীর কিছু 'লিফলেট' ও সি.ডি. বিলি করতে গিয়ে দেখেছি কেউ উৎসাহে গ্রহণ করেছে, নিয়মিত ইচ্ছামতীর পাঠক উচ্ছ্বসিত হয়েছে, আবার কেউ গ্রহণ করেনি, কেউ বা বিরূপ মন্তব্য প্রকাশ করেছে। কিন্তু নিজেও অনেকটা ঋদ্ধ হয়েছি।

অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে ইচ্ছামতী এগিয়ে চলছে। কিশোর সাহিত্যের এক অনন্য পত্রিকা হোক এবং সাহিত্যের আঙিনায় ইচ্ছামতী এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক – এই শুধু কামনা। দীর্ঘায়ু হোক ইচ্ছামতী।

ধন্যবাদান্তে,

নিধু সর্দার

কাগজে-কলমে গ্রাফিক ডিজাইনার। কিন্তু সে কাজ ছাড়াও ইনি নানা কাজ করেন - মাঝেমধ্যে ইচ্ছামতীর জন্য ছবি আঁকেন, মাঝেমধ্যে ভাল ভাল গল্প লেখেন, আর প্রয়োজন হলেই চাঁদের বুড়িকে নানারকমের সাদাকালো-একঘেয়ে-বিরক্তিকর কাজকর্ম (যেগুলি একটা ব-অ-ড় ওয়েবসাইট চালাতে গেলে করতেই হয়)-সেইসব করতে সাহায্য করেন।

আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে শপথগ্রহণ করছি এবং তার সকল নাগরিক যাতে : সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তা,মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা; সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-সম্ভ্রম ও জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুনিশ্চিত করে সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে; আমাদের গণপরিষদে, আজ,১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, এতদ্দ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ করছি, বিধিবদ্ধ করছি এবং নিজেদের অর্পণ করছি।

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা