সবুজ মনের রসদ
Ichchhamoti Logo

আমি বিগত ১৮ বছর এক অদ্ভুত আনন্দ অনুভব করেছি ইচ্ছামতীর সাথে। যদিও বেশিরভাগ সময় আমার চিত্র ও অলঙ্করণই ইচ্ছামতীর ভাষা হয়ে উঠেছে। কিন্তু যে বিষয়গুলির অলঙ্করণ করেছি (যেমন মহাভারতের কাহিনী ইত্যাদি) সেই বিষয়ের লেখাগুলো পড়তে পড়তে আমিও কখন যেন ইচ্ছামতীর সাথে জুড়ে গেছি পাঠক হিসেবে। তাই পাঠক হিসেবেও দেখেছি কী চমৎকার সব লেখা—ছোট-বড় ভাবনার প্রকাশ যেন এক সাজানো-গোছানো বাগান। তাই শুধুমাত্র ছবি আঁকার নয়, অনেক সময় পাঠক হিসেবেও অপেক্ষা করেছি। অপেক্ষা ও কৌতূহল হয়েছে যে আগামী সংকলনে কীরকম অলঙ্করণ করার সুযোগ হবে। সময়ের সাথে উৎসাহ ও কৌতূহল বেড়েছে ক্রমশ।

যদি অলঙ্করণের কথা বলি, আমার সার্বিক প্রচেষ্টা ছিল প্রত্যেকবার কিছু অভিনব ও উৎকৃষ্ট উপস্থাপনা করার। এক একটা গল্প এক এক রকমের সুযোগ চিন্তাভাবনা করার, কল্পনায় ডুবে যাওয়ার—অনুভব ও অনুভূতির গঙ্গার এক আবহমান স্রোতে ভেসে যাওয়ার।

সময় বহিয়া যায় নদীর স্রোতের প্রায় ! কীভাবে কেটে গেল ১৮ বছর! ফিরে দেখার সময় অনেক অনেক মজার অনুভূতি ফিরে আসছে। প্রথম ড্রয়িং করে পাঠাতাম, সেটা দেখে চাঁদের বুড়ি ফিডব্যাক দিতেন। সেটা মাথায় রেখে ফের একবার ড্রয়িং করতাম—যে পরিবর্তনগুলি বলা হয়েছে সেটা মাথায় রেখে। পুরো ব্যাপারটাই ক্রিয়েটিভ প্রসেসের অংশ।

ড্রয়িং অ্যাপ্রুভ হলে শুরু হতো রং দেওয়ার খেলা। আমি সব সময় চেষ্টা করতাম ড্রামাটিক লাইট এবং মিস্টিক অ্যাটমোস্ফিয়ার তৈরি করতে। লাইট মানে শুধুমাত্র কিয়ারোস্কুরো (আলো-ছায়া) নয় আমার জন্যে। Light makes everything alive in my composition and gives a mood to my illustration. If drawing is the body light puts the soul and emotions into that body.

এই বলে কলম রাখবো—অলঙ্করণ করার সময় আমি বারবার পাঠক হয়ে যেতাম প্রথমে। দেখতে চেষ্টা করতাম লেখক বা লেখিকার দৃষ্টিকোণ থেকে। সেই একই কারণে আমার মনে হয়েছে আমি ইচ্ছামতীর সাথে এক বন্ধনে বাঁধা পড়েছি, পাঠক হিসেবেও, অলঙ্করণ শিল্পী হিসেবেও। ১৮ বছর যেন খুব কম সময়, মন চায় এ পথ যেন না শেষ হয়। আর একটু বেশি হলে ক্ষতি কী!

আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে শপথগ্রহণ করছি এবং তার সকল নাগরিক যাতে : সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তা,মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা; সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-সম্ভ্রম ও জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুনিশ্চিত করে সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে; আমাদের গণপরিষদে, আজ,১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, এতদ্দ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ করছি, বিধিবদ্ধ করছি এবং নিজেদের অর্পণ করছি।

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা