
ইচ্ছামতী এবার শিশু থেকে জোয়ান হতে শুরু করেছে। ছোট ইচ্ছামতী আমার চোখের সামনেই বড় হলো। ওর নিশ্চয়ই টিনএজের শুরুটা আমার মতো ছিল। মানে আমি সেরকম কিছু কল্পনা করতে পারি।
পত্রিকা আসলে কতগুলো লেখার পুঁটলি নয়। কোনো বড় বস্তাও নয়। যে যেমন খুশি ঠেসেঠুসে ভরে দেব, তা নয়। লেখাগুলোকে সুন্দর করে সাজাতে হয়। ওটা তেমন সোজা নয়। বাড়িতে গেস্ট এলে যেমন চিন্তা করে রাখি ভালো করে গুছিয়ে তাদের খেতে দেব l সেটা অনেক দিন আগে থেকেই চিন্তা করে রাখি, ওরকম করে লেখাগুলোকে পরপর সাজাতে হয়।
যারা লেখা পাঠায়, কে জানে কত দূরে থাকে। কেউ সকালে বসে লিখছে। কেউ রাতে বসে লিখছে। সেই সকাল-রাত, দূরের-কাছের সব লেখা একদিন এক জায়গায় জমা হয়।
খুব সুন্দর লাগে আমার, ভাবলেই।
ইচ্ছামতী আমার বন্ধুর মতো। আগে মা পড়ে শোনাত। আমি পড়ি নিজে এখন।
জন্মদিনে বন্ধুদের যা বলি সেটাই বলছি many many happy returns of the day!
[বার্তাটি মুখে বলেছে ক্লাস সেভেনের অর্হণ খাঁ। টাইপ করে পাঠিয়েছেন অর্হণের মা।]

