ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা

দেখতে দেখতে তো ইচ্ছামতী বেশ বড় হয়ে গেল। পাঁচ বছরের বেশি বয়স হয়ে গেল। তা সেই পুঁচকে ওয়েবম্যাগটাকে এত বড় সড় করা একা চাঁদের বুড়ির ক্ষমতা নয়। বাকি যাঁরা এতদিন চুপচাপ পেছনে থেকে কাজ করতেন, তাঁরা আড়ালে থেকে কাজ করতেই পছন্দ করেন, কিন্তু ইচ্ছামতী যেহেতু ২০১৪তে একেবারে নতুন চেহারায় দেখা দিচ্ছে, তাই ঠিক হল এবার সবার সাথে ইচ্ছামতীর এই বিশেষ বন্ধুদের পরিচয় হয়েই যাক।

বিষ্টু মিস্তিরিঃ

হ্যাঁ, নাম শুনে ঠিকই ধরেছ ! ইনি ইচ্ছামতী ওয়েবসাইটটিকে প্রযুক্তির নানা দিক দিয়ে সাহায্য করেন। চাঁদের বুড়ি যখনই ১ আর ০ এর গোলেমালে পাগল হওয়ার উপক্রম হয়, তখনি বিষ্টু মিস্তিরির খোঁজ পড়ে। পেশায় ওয়েব ডেভেলপার,বিষ্টু মিস্তিরি হলেন ইচ্ছামতীর প্রধাণ পৃষ্ঠপোষক।

নিধু সর্দারঃ

না, ইনি একদম সর্দারি করেন না। বরং সর্দারি না করাটাই এই গ্রাফিক ডিজাইনার এর মূলমন্ত্র। ইনি নানা কাজ করেন - মাঝেমধ্যে ইচ্ছামতীর জন্য ছবি আঁকেন, মাঝেমধ্যে ভাল ভাল গল্প লেখেন, আর প্রয়োজন হলেই চাঁদের বুড়িকে নানারকমের সাদাকালো-একঘেয়ে-বিরক্তিকর কাজকর্ম (যেগুলি একটা ব-অ-ড় ওয়েবসাইট চালাতে গেলে করতেই হয়)-সেইসব করতে সাহায্য করেন।

দাড়িদাঃ

ইনি অনেকটা গেছোদাদার মত। মানে এই আছেন, এই নেই। পেশায় অধ্যাপক দাড়িদাকে প্রয়োজনের সময়ে বেশিরভাগই খুঁজে পাওয়া যায়না, কিন্তু যখন কাজে নামেন, তখন ছবি এঁকে এবং নিজের ভাবনা চিন্তায় সমৃদ্ধ করে দেন ইচ্ছামতীকে।



ইচ্ছামতীর পাতায় নানা ধরণের লেখার সাথে খুব সুন্দর সব ছবি এঁকে ভরিয়ে দিয়েছে দীপায়ন আর সায়নী।

dipayan

দীপায়নঃ

দীপায়ন কলকাতার নব নালন্দা হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র। দীপায়ন শুধু ভাল ছবি আঁকে না, কবিতা আর গল্পও লেখে। ইচ্ছামতীকেও লেখা দেবে বলেছে দীপায়ন। গল্পের বই পড়তে ভালবাসে। বড় হয়ে চিত্রকর অথবা অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় দীপায়ন।

 

 

sayani

সায়নীঃ

সায়নী গুয়াহাটিতে থাকে। মহর্ষি বিদ্যা মন্দিরের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। ছবি যে ভাল আঁকে সে তো ইচ্ছামতীর পাতায় দেখতেই পাবে। ছবি আঁকা ছাড়াও, পড়াশোনার সময়টা বাদ দিলে, সায়নী গান শুনতে ভালবাসে। আর মাঝে মাঝেই ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে গল্প করে।


এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ইচ্ছামতীকে ছবি এঁকে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করেছেন অভ্র পাল, ঋতম ব্যানার্জী, অনন্যা দত্ত, জ্যোতির্ময় দালাল, অবি সরকার

 

সবার কথা বলা হল, এবার বাকি রইল একজন!

চাঁদের বুড়িঃ

এঁকে এতদিনে সবাই চিনে গেছেন। এঁর একটা চরকা আছে। সেই চরকায় সাতরঙা সুতো বুনে ইনি ইচ্ছামতীকে সাজিয়ে গুছিয়ে তোলেন। ইচ্ছামতীর সাজগোজ, নতুন লেখা নির্বাচন ও সম্পাদনা, অলঙ্করণ, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সহ সার্বিক দেখভাল করে থাকেন। যখন ইচ্ছামতীর জন্য চরকা কাটেন না, তখন চোখে চশমা এঁটে ওয়েব ডিজাইন এবং ব্লগে লেখালিখি করেন ।

এসে গেল ইচ্ছামতীর শারদসম্ভার ২০১৭
নয় পেরিয়ে দশে পা
undefined

আরো পড়তে পার...

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা