ছোটদের মনের মত ওয়েব পত্রিকা
নূর‍্যা ডাকাত

অজিত বাবু বেশ কয়েক দিন ধরে খুব দুশ্চিন্তা, রাত্রে মাঝে-মধ্যেই ঘুমটা আচমকা ভেঙে যাচ্ছিল। তাঁর মনের মধ্যে চাপা একটা কথা বার বার ঘুরে-ফিরে আসে। সেই জন্য কোনো কোনো রাতে কিছুতেই তাঁর ভাল করে ঘুম হয় না। তিনি ইছাবনি গ্রামের হাইস্কুলের ইংরাজির মাস্টার-মশাই। কয়েক দিন ধরেই ওই চাপা কথাটা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তায় আছেন। কাউকেই তিনি তাঁর মনের সেই কথা বলতে পারছেন না। এটা এমন কথা যা যাকে-তাকে বলাও যায় না। মাত্র কয়েক দিন আগেরই ঘটনা সেটা। সেদিনটা ছিল শনিবার। মাঝেমধ্যেই তিনি সাইকেলে করেই তাঁর নিজের বাড়িতে, যেটা ছিল ইছাবনি থেকে প্রায় তিরিশ মাইল দূরের এক ছোট শহর, সেখানে যেতেন। এভাবে সাইকেল নিয়ে সাহস করে বেরতেন ইছাবনি গ্রামের মাত্র কয়েকজনই। সেদিনও, এর আগের প্রতিবারের মতই, ইছাবনি থেকে বেরিয়ে তিনি যাচ্ছিলেন শহরে তাঁর নিজের বাড়ির দিকে। এটা সময়টা সম্ভবত ১৯৬০-এর দশকের কথা।

তেজপুর গ্রামে যাওয়ার মোড়টিকে ছাড়িয়ে তিনি কিছুটা এগিয়ে গেছেন। সেই জায়গাটা ছিল ইছাবনি থেকে প্রায় মাইল বিশেক দূরে। শাল গাছের গভীর জঙ্গল দুপাশে, প্রায় দশ- বারো মাইলের মধ্যে কোন বড় গ্রাম-গঞ্জ নেই সেই তল্লাটে, বনের মাঝে ছিল শুধু দু-একটি আদিবাসীদের খুব ছোট-ছোট গ্রাম। তেজপুর গ্রামে যাওয়ার মোড়টিকে পেরিয়ে কিছুটা রাস্তা আগিয়ে গেছেন, ঠিক এমন সময় তাঁর লক্ষ্য হয় যে সাইকেলের পিছনের চাকার টায়ারে হাওয়া এক্কেবারে কম হয়ে গেছে । বাড়ি থেকে অর্থাৎ তাঁর কোয়ার্টার থেকে বের হওয়ার পরই সবথেকে প্রথমে তিনি ইছাবনির মোহিত কর্মকারের সাইকেল-সারানোর দোকানে হাওয়া চেক করিয়ে নেন। তারপর তিনি আশুদতলা-বাস-স্টপে সুজয়ের চা-মিষ্টির দোকানে চা খেয়ে বেরিয়ে পড়েন। হয়ত রাস্তাতে কোন জায়গায় কাঁটা ফুটেছিল টায়ারে। কিছুটা সময়ের পর আর সাইকেলটি চালানো যায়নি। কি আর করা যায়, রাস্তায় বেরিয়ে টায়ার পাংচার হয়ে গেল, আর কোন উপায় নেই, অগত্যা তিনি সাইকেলটির হ্যান্ডল দুটিকে ধরে ঠেলে ঠেলে হাঁটতে শুরু করেন। সেসময় একটিই মাত্র আশা, যদিও সেটা খুবই ক্ষীণ, তা হল, সেই রাস্তায় অন্য কারও সাথে দেখা হয়ে যাওয়া আর তারপর যদি কিছু উপায় করা যায়। সেদিন প্রায় ঘণ্টা খানেক চলার পরও কারও সাথেই দেখা পাওয়া যায় না। সেই রাস্তায় এমনিতেই লোকজন খুব কমই আসা যাওয়া করত। তার কারণ, দিনে চোর-বদমাশ ছিনতাই করত, আর রাতে হাতির-পালের ভয় ছিল সেই রাস্তায়। স্বাভাবিক ভাবেই সে রাস্তায় লোকজনের দেখা পাওয়াটা ছিল খুবই ভাগ্যের কথা।

লাল-ধুলোর রাস্তার উপর তিনি হাঁটছেন একমনে, স্থানীয় লোকেরা বলে রাঢ়-বাংলা, লাল-মাটি আর নীল-অরণ্যের দেশ। একসময় কোথা থেকে যে একটি লোক পাশে এসেছিল, তা তিনি খেয়াল করতে পারেন নি। লোকটির শ্যামলা গায়ের রং, শরীরের বাঁধন বেশ ভাল, খোঁচা খোঁচা দাড়ি গোঁফ আর মাথায় বাঁধা ছিল একটি গামছা। সে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করেছিল, "কি গো বাবু সাইকেলটা সারানর জন্নি জায়গা পাচ্চিস নাই, মনে হচ্চে!" কথা গুলি শুনে তিনি প্রায় দাঁড়িয়েই পড়েছিলেন; পরে ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে উত্তরে বলেন, "হ্যাঁ, দেখ না অনেকক্ষণ ধরেই হাঁটছি, কিন্তু এখানে তো আর তেমন কোন গ্রাম-গঞ্জ নেই, তাই সাইকেল সারানোর দোকান কোথায় যে পাবো জানি না।" সে তখন বলেছিল, "তুমাকে বাবু ই রাস্তায় আগেও দেখেচি মনে হচ্চে।" তিনি বলেন, "তা হয়তো দেখে থাকবে, কারণ আমি তো কখনো কখনো এই রাস্তা দিয়েই ছুটি-ছাটাতে শহরে আমার নিজের বাড়িতে যাই।" সে তারপর বলে, "অ আচ্ছা আচ্ছা, এখনও আরও কতকটা রাস্তা হাঁটতে হবেক বটে, তারপরে, একটা সায়কেল সারানোর লোক পাওয়া যাবেক।"

আরও টুকি-টাকি কথা বলতে বলতে, মিনিট পনের হাঁটার পর, সেই লোকটি তাঁকে একটি পাকদণ্ডি-পথ ধরে জঙ্গলের মাঝে দুটি ছোট কুঁড়ে-ঘরের কাছে নিয়ে আসে। সেখানে মংলা বলে কাউকে সে ডেকে আনে। আর তারপর তাঁর সাইকেল সারানোর জন্য মংলা সব সরঞ্জাম নিয়ে আসে এবং একটু পরেই তাঁর সাইকেলটি সারানোর কাজ শুরু হয়ে যায়। সেই কুঁড়ে-ঘরের সামনে বাঁশের খুঁটির উপর আড়াআড়ি করে বেঁধে রাখা অন্য বাঁশ দিয়ে বেঞ্চের মত বসার জায়গা করা। সেখানে বসিয়ে সে অজিত বাবুকে জিজ্ঞাসা করে, "তুমি কি বাবু আমাদের ইখানের চা খাবে?" উত্তরে অজিত বাবু বলেন, "হ্যাঁ হ্যাঁ নিশ্চয়ই খাব।" তারপর চা খাওয়া পর্ব সারা হলেই লোকটা মংলাকে কানের কাছে কিছু একটা কথা চাপা গলায় বলেছিল আর তারপর সে নিজের কোন বিশেষ কাজ বাকি, সেই কথা অজিত বাবুকে জানিয়ে সেখান থেকে চলে গেছিল ।

সে চলে যাওয়ার পর টিনের বালতির জলে টিউবটাকে চুবিয়ে কোথায় যে ঠিক ফুটোটা হয়েছিল সেটা খুঁজতে খুঁজতে, মংলা অজিত বাবুকে কাছে ডেকে জিজ্ঞাসা করে, "বাবু তুমার সাথে এই যে লোকটা আইছিল, তাকে কি তুমি জান?" মংলার কথার উত্তরে তিনি জানালেন যে, না তিনি তো তাকে চেনেন না, আরও জানালেন যে একটু আগেই তো রাস্তাতে তার সাথে দেখা হয়েছিল। সাইকেল সারাতে সারাতে মংলা অজিত বাবুর কানের খুব কাছে এসে প্রায় ফিস-ফিস করে তাঁকে তখন জানিয়েছিল, "বাবু ই হচ্চে নূর‍্যা ডাকাত, ইয়াকে পুলিশ ধরার জন্যে হন্যা হয়ে চারদিক ঘুরে বেড়াচ্চে বটে, কত জায়গায় চুরি ডাকাতি ছিন্তাই কর‍্যেচে তার হিসাব নাই, ইয়ার নাম তুমি সুন নাই?" অজিত বাবুর মুখ দিয়ে তখন কোন কথাই বেরুচ্ছিল না, তিনি অবাক হয়ে যে রাস্তা দিয়ে সে চলে গেছিল, সেই দিকে তাকিয়ে রইলেন এক দৃষ্টিতে। ভয় আর বিস্ময় তাঁর চোখে মুখে। একটু পরে মংলা আবার অজিত বাবুকে জিজ্ঞাসা করে, "বাবু তুমার কাছ থেকে টাকা-পয়সা কিছু ছাড়িয়ে লেয় নাই?" যখন সে লক্ষ্য করে যে তার সেই-প্রশ্নের উত্তরে অজিত বাবু শান্ত ভাবে মাথা নাড়িয়ে 'না' বলেন, তখন সে বলে, "তা'লে বাবু সে তুমাকে ভাল কর‍্যে চিনে বটে। তুমার সব খবরাখবর সে রাখে, বাবু তুমার কুন ডর নাই ইখানে।" সাইকেল সারানো হয়ে যাওয়ার পর মংলাই তাঁকে রাস্তা দেখিয়ে দেয়। শহরে তাঁর নিজের বাড়িতে পৌঁছে তিনি কাউকেই এই কথা বলতে পারেন না। সুতরাং তাঁর মনের ভিতরে চাপা থাকে সেই কথাটি। আবার ইছাবনিতে ফিরে আসার পরও কাউকেই সেই কথা বলতে পারেন না। সেখানে কি আর কারও কাছে এই কথা বলা যায়? যেখানে তাঁর কোয়ার্টার তার কাছেই তো ছিল পুলিশ-স্টেশন।

এমনকি ইছাবনির পুলিশ-স্টেশনের অনেকের সাথেই তাঁর বেশ ভালই পরিচয় ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যাটা ছিল যে তিনি কোন ভাবেই মিথ্যে কথা বলতে পারতেন না ছোটর থেকেই; তিনি ভাল করে জানতেন যে কখনই তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বা বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে কথা বলতে গেলেই লোকে বুঝতে পেরে যায় । তাঁর মনে তাই সেই একটাই কথা ঘুরপাক খেতে থাকে, তিনি তো জঙ্গলের মাঝ দিয়ে সাইকেলে যাতায়াত করতেন, যদি কেউ তাঁকেই সরাসরি কোন প্রশ্ন করে ফেলে, তাহলে তিনি তো মিথ্যে কথা বলতে পারবেন না, তেমন হলে তিনি কি করবেন? পুরো দু সপ্তাহ পার হয়ে গেল তিনি তাঁর নিজের বাড়িতে সাইকেল নিয়ে আর সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সাহস করতে পারছেন না। এরমধ্যে একদিন বাড়ি থেকে আসে একটি চিঠি, আর তাতে জানতে পারেন যে তাঁর মায়ের শরীর খুব খারাপ ।

অনেক ভেবে-চিন্তে, পরের শনিবার তিনি সাহস করে বেরিয়ে পড়েন, সাইকেল নিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য। মোহিত কর্মকারের সাইকেল-সারানোর দোকানে ভাল করে তাঁর সাইকেলের সব কিছু খুঁটিনাটি দেখে নিতে বলেন, যাতে রাস্তায় কোন অসুবিধায় পড়তে না হয়। তেজপুর গ্রামে যাওয়ার মোড়টি পেরোনোর পরের থেকেই তিনি দুপাশে খুব ভাল করে লক্ষ্য করতে করতে যাচ্ছেন। তিনি খুব মন দিয়ে সেই পাকদণ্ডি পথটি খোঁজার চেষ্টা করেন, যেটি দিয়ে 'সে' মানে 'নূর‍্যা -ডাকাত' তাঁকে জংগলের মাঝে মংলার কুঁড়ে ঘরের কাছে নিয়ে আসে আগের বার।

সেখানে পৌঁছে যদিও তাঁর বেশ ভয় ভয় লাগছিল তবুও সাহস করে সাইকেল থেকে নেমে, তিনি সাইকেলটির হ্যান্ডল দুটিকে ধরে, ধীরে ধীরে সাইকেলটিকে ঠেলে ঠেলে হাঁটতে শুরু করেন, সেই জঙ্গলের হাঁটা পথ ধরে। মংলার কুঁড়ে ঘরটিকে তিনি খুঁজেও পেলেন। সেখানে গিয়ে সাইকেলটি এক পাশে ঠেসিয়ে রেখে মংলার খোঁজ করার জন্য এদিক-ওদিক দেখছিলেন। দুটি বাচ্চা ছেলে একটু দূরে গুলি ডাণ্ডা খেলছিল। তাদেরকে ডেকে তিনি মংলার খোঁজ করেছিলেন। ছেলে দুটি একটু পরেই মংলা নামের সেই লোকটিকে ডেকে এনেছিল, যে আগের বার তাঁর সাইকেলটি সারিয়ে দিয়েছিল।

নূর‍্যা ডাকাত

মংলা তাঁকে দেখতে পেয়েই মুচকি হাসি হেসে বলেছিল, "কি গো বাবু আবার তুমার সায়কেলটা খারাপ হইচে নাকি?" তিনি বলেছিলেন, "না না, আজ তোমার কাছে চা খেতে এসেছি, খাওয়াবে তো?" কিছুক্ষণ পরে চা খেতে খেতে তিনি তাঁর মনের অস্বস্তির কথা, রাত্রে ঘুম না আসার আর ছটফটানির কথা মংলাকে বলেন। মংলা সঙ্গে সঙ্গে তাকে জানিয়েছিল, "ও বাবু, তুমাকে যে আমি সেদিনকেই বো্লল্যম তুমার কোন ডর নাই ইখেনে, তবে কেনে তুমার চিন্তা লাগচ্যে বটে?" তার উত্তরে তিনি মংলাকে বলেন, "তা তো বুঝলাম, কিন্তু আমার সমস্যাটা অন্য রকম, আমি যে মিথ্যে কথা বলতে পারি নাই কোন ভাবেই । দেখ এই যে আমি জঙ্গলের মাঝ দিয়ে সাইকেলে যাতায়াত করি, সেটা তো অনেক লোকই জানে, এখন যদি কেউ আমাকে সরাসরি কোন দিন প্রশ্ন করে ফেলে, তাহলে আমি তো মিথ্যে বলতে পারব নাই, কথা ঘুরিয়ে যদি বলতেও যাই, তো লোকে ঠিক বুঝতে পেরে যাবে, তেমনি হলে তখন আমি কি করব?" মংলা তখন তাঁকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিল, "বাবু যে দিনকে আবার ঘুর‍্যে ইছাবনি ফেরত যাবি, আমি তুমাকে উপায় বল্যে দুব।"

আবার ইছাবনি ফিরে আসার দিন অজিত বাবু খুব ভাল করে লক্ষ্য করতে করতে সাইকেল চালাচ্ছিলেন, যাতে সেই পাকদন্ডী পথটি ভুল করে পেরিয়ে না যান, সেদিন সেই মোড়ের থেকে একটু দুরেই মংলার দেখা পেয়ে গেলেন তিনি। সে কাছাকাছিই কোথাও কোন কাজ করছিল হয়তো। মংলা কাছে এসে তাঁকে বলেছিল, "বাবু আমাকে নূর‍্যা বলতে বলে গেছে যে, তুমাকে কেউ জিগ্যেসা কোরল্যে তুমাক মিছা কথা বলত্যে হবেক নাই। বোলব্যে হ দেখা হইছিল।"

তার কথা শুনে অজিত বাবু অবাক হয়ে মংলার মুখের দিকে যখন তাকিয়েছিলেন, তখন সে আরও বলে যাচ্ছিল, "আরেকটা কথা আছে গো বাবু, এক বছর আগে তুমার বৌ-ছেল্যা-মেয়্যার সংগে গোরুর গাড়ীতে কর‍্যে পিয়ারমনি ইস্টেশেনে রেলগাড়ি ধোরত্যে গেছল্যে, বটে?" তিনি মাথা নেড়ে 'হ্যাঁ' বলেছিলেন। তখন অজিতবাবুর খুব কাছে এসে ফিস ফিস করে তাঁর কানের কাছে মংলা আরও বলেছিল, "তুমি ভাবচ্য নূর‍্যা ডাকাত তুমাকে কেনে ছেড়ে দিল্যেক, লয় কি? তুমার কাছ থেকে কেনে কিছু ছিনতাই করে লাই, বটে? তা'লে সুন্য, নূর‍্যার যে বুনটা দুবছর আগে পুশ্না নদীর বানে ডুবে মর‍্যে গেছল্য, সে দ্যেকতে ছিল ঠিক তুমার বউ-এর মতন। ই রাস্তাটাতে তুমার গায়ে কেউ হাত দিবেক নাই গো বাবু। এমন বুকের পাটা ই তল্লাটে কারুর নাই" অজিত বাবু একই ভাবে অবাক হয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়েছিলেন, মুখে কোন কথা নেই।

মংলা তখনও বলে যাচ্ছিল, "বাবু তুমাকে কারুর কাছেই মিছা কথা বোলত্যে হবেক নাই। তুমাকে কেউ জিগ্যেসা কোরল্যে, বোলব্যে, হ, এই রাস্তাটাতেই নূর‍্যা-ডাকাতের সংগে তুমার দেখা হইছিল, ব্যস। বাবু, তুমার কুন চিন্তা নাই, আর বূর‍্যার জন্যেও তুমাকে চিন্তা কোরত্যে হবেক নাই, ভাল লোককে সে কুন দিন কষ্ট দেয় নাই বটে, তার যা করার সে ব্যেবস্তা সে নিজেই কোরব্যাক, তুমাকে ভাবত্যে হবেক নাই। তুমি নিসচিন্দে ঘরের মানুষ ঘরে যাও কেনে..."

অজিত বাবু ধীরে ধীরে সাইকেলটিকে ঠেলে ঠেলে হাঁটতে শুরু করেন, জঙ্গলের সেই পাকদন্ডী হাঁটা পথটি ধরে।


ছবিঃ পিনাকী দত্ত

--------------------- -------------- ------

লেখক পরিচিতি

চান্দ্রেয়ী ভট্টাচার্য্য

চান্দ্রেয়ী ভট্টাচার্য্যের বাড়ি ও জন্মস্থান বাঁকুড়া জেলার মন্দির-নগরী বিষ্ণুপুর শহর। বাবার কর্মসূত্রে সূত্রে গুজরাতে আসা। আর তার জন্যই স্কুল কলেজের পড়াশুনা গুজরাতের কাঠিয়াবাড় প্রান্ত থেকে। বর্তমানে ফার্মাকোলজি নিয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশনের ফাইনাল ইয়ারে। মাতৃভাষা বাংলার সাথে শিশু অবস্থা থেকে কখনই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। নিজের পড়াশুনোর মাধ্যমে ইংরেজি, হিন্দি এবং গুজরাতি শেখার সাথে সাথেই বাংলা বইও পড়তে ভালো লেগেছে বরাবরই।
নয় পেরিয়ে দশে পা

undefined

আরো পড়তে পার...

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা